সোমবার , ২ আগস্ট ২০২১ | ১৩ই মাঘ, ১৪২৯ বঙ্গাব্দ
  1. English Version
  2. Gov. Job
  3. Jobs News
  4. TOP JOBS
  5. অনলাইন টিউটরিয়াল
  6. অপরাধ সংবাদ
  7. ইপিজেড নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি
  8. গার্মেন্টস্ নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি
  9. গুরুত্বপূর্ণ সংবাদ
  10. জাতীয় সংবাদ
  11. পরীক্ষার ফলাফল
  12. বিদেশে চাকুরি
  13. বিভাগীয় সংবাদ
  14. বেসরকারি চাকুরি
  15. ভাইরাল সংবাদ

নারীদের এভাবে মধ্যরাতে আটকে কঠিন আপত্তি জানিয়েছে মানবাধিকার

প্রতিবেদক
বাংলা সার্কুলার
আগস্ট ২, ২০২১ ৬:৫৭ অপরাহ্ণ
বাংলাদেশ মানবাধিকার কমিশন

এভাবে জব্দকরা জিনিসপত্র সাজিয়ে আটক বিচারের আগেই বিচার

গেল রবিবার রাতে ৩ জন নারীকে আটক করা হয়েছে। পুলিশের পক্ষ থেকে তাদের ব্যাপারে যে বর্ণনা দেওয়া হয়েছে তাতে আপত্তি জানিয়েছে মানবাধিকার কর্মীরা। তারা বলছেন তাদের জন্য এটা মানহানিকর। বিচার প্রক্রিয়াও এর প্রভাব পড়তে পারে। এর আগেও বিভিন্ন ঘটনায় গ্রেফতার ব্যক্তিদের গণমাধ্যমের সামনে হাজির করা হয়। জব্দ করা জিনিসপত্র সাজিয়ে এমনভাবে উপস্থাপন করা হয় যাতে বিচারের আগেই তারা দোষী বলে চিহ্নিত হয়ে যান। অনেকের ক্ষেত্রে নানা রকম আপত্তিকর বিষয় সহ ব্যবহার করা হয়। হাইকোর্টের নিষেধাজ্ঞা থাকা সত্বেও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর মধ্যে এই প্রবণতা বন্ধ হচ্ছে না কেন?বিবিসির প্রতিবেদন।

হেলেনা জাহাঙ্গীর ডাঃ ঈশিতা মডেল মৌ ও পিয়াসার আটক নিয়ে মানবাধিকার কি বলছে

রবিবার মধ্যরাতে ঢাকায় তিনজন মডেল ও অভিনেত্রী কে আটক করা হয। এর আগে হেলেনা জাহাঙ্গীর কে আটক করা হয়েছিল।আটকের পর মামলা হওয়ার আগেই মাদকদ্রব্যসহ তাদের গণমাধ্যমে উপস্থাপন করা হয়। তাদের বিরুদ্ধে অভিযোগের বর্ণনা করতে গিয়ে আপত্তিকর বিশেষণও ব্যবহার করেন একজন ঊর্ধ্বতন পুলিশ কর্মকর্তা। গত দুই মাসে আলোচিত বোট ক্লাবের ঘটনাসহ ঢাকাতেই এভাবে অন্তত আটটি ঘটনায় সন্দেহভাজনদের গণমাধ্যমের সামনে উপস্থাপন করতে দেখা গেছে। মানবাধিকারকর্মী লীনা গোস্বামী বলছেন এসব ঘটনায় ওই ব্যক্তিদের জন্য শুধুমাত্র মানহানিকর নয় তাদের মানবাধিকার লংঘন।

এ ভাবে উপস্থাপন আইনের পরিষ্কার লংঘন

আলোচিত সব ঘটনা তিনি সন্দেহভাজনদের আটকের পর সরাসরি গণমাধ্যমের সামনে উপস্থাপন বা তাদের ছবি বা পরিচয় প্রকাশ করা অনেকটা নিয়মিত ব্যাপার হয়ে দাঁড়িয়েছে। এখানে পুলিশের নিজস্ব বক্তব্য উপস্থাপন করা হলেও আটককৃতদের কোন বক্তব্য দেয়ার সুযোগ দেয়া হয়না। মানবাধিকার কর্মীদের অভিযোগ এভাবে উপস্থাপনের মাধ্যমে অভিযোগের তদন্ত ও বিচারের আগেই তাদের অপরাধী হিসেবে জনমনে ধারণা দেওয়া হচ্ছে। যদিও ২০১২ সালে হাইকোর্টের এক আদেশে এরকম কর্মকাণ্ডের ওপর নিষেধাজ্ঞা রয়েছে। ফলে এ ভাবে উপস্থাপন আইনের পরিষ্কার লংঘন বলছেন সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী জ্যোতির্ময় বড়ুয়া।

নিজেদের অর্জণ তুলে ধরতে এসব কাজ

তিনি বলছেন-আইন ভঙ্গ করে বাংলাদেশে এভাবে অহরহ গণমাধ্যমে সন্দেহভাজনদের তুলে ধরার বিরুদ্ধে কেউ আইনি প্রতিকার চেয়েছেন বলে তার জানা নেই। যদিও পরবর্তীতে আদালতে এদের অনেকেই নির্দোষ বলে প্রমাণিত হয়েছেন। ফলে এভাবে সন্দেহভাজনদের তুলে ধরা নিয়ে বরাবরই প্রশ্ন তুলছেন মানবাধিকার কর্মীরা। কিন্তু তারপরও কেন বাহিনীগুলো এ ধরনের কর্মকাণ্ড অব্যাহত রেখেছে। এই বিষয়ে পুলিশের মুখপাত্রের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলেও তাদের কেউ কথা বলতে রাজি হননি। পুলিশের সাবেক অতিরিক্ত আইজিপি মোখলেসুর রহমান বলেছেন বাহিনী গুলো নিজেদের অর্জণ তুলে ধরতে এসব কাজ করে থাকতে পারে বলে তিনি মনে করেন।

আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর আচরণে পরিবর্তন আনার আহ্বান

মানবাধিকার কর্মীরা বলছেন- দোষী প্রমাণিত হওয়ার আগেই একজন সন্দেহভাজন ব্যক্তিকে এভাবে উপস্থাপন তার সামাজিক ও ব্যক্তিগত ভাবে যে ক্ষতির মুখোমুখি হন পরবর্তীতে আদালতে নির্দোষ প্রমাণিত হলে সেটা পূরণ করা সম্ভব হয় না। তাই তারা আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর আচরণে পরিবর্তন আনার আহ্বান এর পাশাপাশি গণমাধ্যমকে সতর্ক ভূমিকা রাখার পরামর্শ দিচ্ছেন। সূত্রঃ বিবিসি বাংলার প্রবাহ হতে- সাইদুল ইসলাম।

সর্বশেষ - বিদেশে চাকুরি